ইলিয়াস একটি খরা ঘোষণা
1. গিলিয়দের তিশ্বী শহরে এলিয় নামে এক ভাববাদী বাস করতেন
2. প্রভু তখন এলিয়কে সে জায়গা
3. ছেড়ে যর্দন নদীর পূর্ব দিকে করীত্ খাঁড়ির কাছে লুকিয়ে থাকতে বললেন
4. তিনি এলিয়কে জানান য়ে তিনি কাক ও শকুনিদের রোজ তাঁর জন্য সেখানে খাবার এনে দেবার নির্দেশ দিয়েছেন এবং তৃষ্ণা পেলে এলিয় করীতের জলধারা থেকে জলপানও করতে পারবেন
5. প্রভুর নির্দেশ মতো এলিয় তখন য়র্দনের পূর্বদিকে করীত্ খাঁড়ির কাছে বাস করতে গেলেন
6. প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে কাক ও শকুনিরা এলিয়কে খাবার এনে দিত আর তৃষ্ণা পেলে তিনি করীতের স্রোত থেকে জল পান করতেন
7. কিন্তু অনাবৃষ্টির দরুণ করীতের জলধারা শুকিয়ে গেল
ইলিয়াস এবং বিধবা
8. তখন প্রভু এলিয়কে
9. সীদোনের সারিফতে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন
10. এলিয় তখন সারিফত নগরের দরজার কাছে গিয়ে এক বিধবা মহিলাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখতে পেলেন
11. সেই মহিলা জল আনতে যাবার সময় এলিয় আবার তাকে অনুরোধ করলেন, “দয়া করে আমার খাবার জন্য এক টুকরো রুটি এনো
12. কিন্তু সেই মহিলা উত্তর দিলেন, “আমি তোমার প্রভু ঈশ্বরের সামনে দিব্য়ি খেযে বলছি, আমার ঘরে রুটি নেই
13. এলিয় সেই মহিলাকে বললেন, “কোনো চিন্তা কোরো না
14. ইস্রায়েলের প্রভু ঈশ্বর বললেন, ‘ঐ মযদার কৌটো কখনও শূন্য হবে না
15. তখন ঐ মহিলা বাড়ি ফিরে গিয়ে এলিয়র কথা মতো কাজ করল
16. প্রভু এলিয়কে যা ভাববাণী করেছিলেন, সেই কথা মতোই ঐ মযদার বযাম ও তেলের শিশি কখনও শূন্য হয় নি
এলিজা বিধবার পুত্রকে পুনরুজ্জীবিত করেন
17. কিছু দিন পরে মহিলার পুত্র খুবই অসুস্থ হয়ে পড়ে
18. মহিলা এলিয়কে এসে বলল, “আপনি ঈশ্বরের লোক, আপনি কি আমায় সাহায্য করতে পারবেন? নাকি আপনি এখানে এসে কেবল আমাকে আমার পাপের কথা মনে করিযে দিয়ে আমার পুত্রকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেবেন?”
19. এলিয় তাকে বললেন, “তোমার পুত্রকে আমার কাছে এনে দাও
20. তারপর এলিয় প্রভুর কাছে প্রার্থনা করে বললেন, “প্রভু, আমার ঈশ্বর, এই বিধবা রমণী আমাকে তার বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছে
21. তারপর এলিয় পর পর তিন বার সেই ছেলেটার ওপর শুয়ে প্রার্থনা করে বললেন, “প্রভু, আমার ঈশ্বর, এই ছেলেটাকে পুনর্জীবিত করুন
22. প্রভু এলিয়র ডাকে সাড়া দিলেন
23. এলিয় তখন ছেলেটিকে নীচের তলায় নিয়ে গিয়ে তার মায়ের হাতে তুলে দিয়ে বললেন, “দেখো, তোমার পুত্র বেঁচেই আছে!”
24. সেই মহিলা তখন বলল, “এবার আমার সত্যি সত্যি বিশ্বাস হল য়ে আপনি ঈশ্বরের লোক! প্রভু সত্যিই আপনার মুখ দিয়ে কথা বলেন!”